শিরোনাম:

ভিডিও

বিজ্ঞাপন

এই মুহূর্তে

আমাদের সাথে আছে 4 অতিথি অনলাইন

সর্বমোট পাঠক

mod_vvisit_countermod_vvisit_countermod_vvisit_countermod_vvisit_countermod_vvisit_countermod_vvisit_counter

সুনামগঞ্জে আগাম বন্যামুক্ত উফশী ধান কাটার কর্মসুচীর উদ্বোধন

স্টাফ রিপোর্টার

উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ব্যবহার করে ক্ষুধা ও দারিদ্র বিমোচনে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। হাওর অঞ্চলের জন্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ধানের উৎপাদন বাড়াতে হবে। ফলে বাংলাদেশের ধান দেশের বাইরে রপ্তানী করা সম্ভব হবে। সোমবার সুনামগঞ্জের আটগাঁও ইউনিয়নে আগাম বন্যামুক্ত উফশী ধান কাটার কর্মসুচীর উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।

ইকোনোমিক এমপাওয়ারমেন্ট অফ দি পুওরেস্ট (ইইপি) প্রকল্পের আওতায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও হেলভেটাস সুইস ইন্টারকোঅপারেশন বাংলাদেশ যৌথভাবে ‘আগাম বন্যামুক্ত উফশী ধান কর্তন’ কর্মসূচির আয়োজন করে। ।

গতকাল সোমবার বেলা ২টায় শাল্লা উপজেলার ফরিদপুর গ্রামের মাঠে প্রদর্শনী ক্ষেতে ব্রিধান ৪৫ ও ব্রিধান ২৮ জাতের ধান কাটার পর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণের উপ-পরিচালক ড. এস এম আফসারুজ্জামানের সভাপতিত্বে মাঠ দিবসে বক্তব্য রাখেন, শাল্লা উপজেলা চেয়ারম্যান অবনী মোহন দাস, শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কুল প্রদীপ চাকমা, দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুল আলম, হেলভেটাস সুইস ইন্টারকোঅপারেশন এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক জাহিদ হাসান, শাল্লা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মন্নাফ, সুনামগঞ্জ বিএডিসি’র সিনিয়র সহকারী পরিচালক (বীবি) মজনু মিয়া, কৃষক শাহানারা বেগম এবং মজিবুর রহমান।

সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণের উপ-পরিচালক ড.এসএম আফসারুজ্জামান জানান, হেক্টর প্রতি ব্রিধান ৪৫ এর উৎপাদন হেক্টর প্রতি ৪-৪.৫ মে.টন ও ব্রিধান ২৮ এর উৎপাদন ৪.৫-৫.৫ মে.টন ধান। এ জাতগুলি অন্যান্য জাতের ধানের সমপরিমাণ উৎপাদন হয়।

কৃষকরা জানান, ব্রিধান ৪৫ ও ব্রিধান ২৮ আগাম বন্যামুক্ত হওয়ায় হাওরে এ জাতের ধানের চাষাবাদ অনেকটাই নিরাপদ। অকাল বন্যা আসার আগেই এ জাতের ধান কাটা হয়। তাই অকাল বন্যা নিয়ে কৃষকদের চিন্তিত থাকতে হয় না।

 

ফটোগ্যালারি

সর্বশেষ

প্রধান সম্পাদক: দেওয়ান মোবাশ্বীর রাজা চৌধুরী

সম্পাদক: একেএম মহিম

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: আবেদ মাহমুদ চৌধুরী

Website : www.sunamganjnews24.com

Email: editor.sn24@gmail.com